ইংল্যান্ড আর্জেন্টিনার কাছে হেরে বিদায় নেওয়ার আলোচনা এখনো থামেনি। অনেক ভক্ত টুখেলের পুরনো কোচিং ইতিহাস খুঁজে বের করে বলছেন, তাঁর দলগুলোর একটা সাধারণ সমস্যা আছে—এগিয়ে গিয়ে শুধু রক্ষণে গুটিয়ে পড়া, আর শেষে প্রতিপক্ষের কাছে উল্টে যাওয়া।
২০১৬ সালের ইউরোপা লিগে লিভারপুলের বিপক্ষেই সেই ছবি দেখা গিয়েছিল। তখন ডর্টমুন্ডের কোচ টুখেলের দল অ্যাওয়েতে একসময় ৩-১ তে এগিয়ে ছিল; পুরো দল পিছিয়ে রক্ষণে নামার পর রেডস তিন গোল করে ম্যাচ ৪-৩ জিতে যায়, আর এগ্রিগেট হেরে ডর্টমুন্ড বিদায় নেয়।
প্যারিস সাঁ-জেরমাঁর কোচ থাকাকালীন ২০১৯ সালের চ্যাম্পিয়নস লিগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে প্রথম লেগে পিএসজি এগিয়ে ছিল; দ্বিতীয় লেগে রক্ষণাত্মক খেলায় নেমে হোমে ১-৩ তে হেরে যায়, আর অ্যাওয়ে গোলের অসুবিধায় বাদ পড়ে।
বায়ার্ন মিউনিখে এসে ২০২৪ সালের চ্যাম্পিয়নস লিগ সেমিফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদের মুখোমুখি হয়। দ্বিতীয় লেগে এগ্রিগেটে এগিয়ে থাকা সত্ত্বেও টুখেল রক্ষণাত্মক কৌশল বেছে নেন; রিয়াল দুই গোল করে উল্টে দেয়, আর বায়ার্ন ফাইনালে উঠতে পারেনি।
এবার ইংল্যান্ড নিয়ে বিশ্বকাপ সেমিফাইনালেও একই চিত্র—দল এগিয়ে গিয়ে আবার গোলপোস্টের সামনে গুটিয়ে পড়ে, কাউন্টার অ্যাটাকের গতির সুবিধা ছেড়ে দেয়, আর আর্জেন্টিনা পরপর গোল করে ইংল্যান্ডকে সেমিফাইনালেই থামিয়ে দেয়।
এমন মিল থাকা একাধিক পরাজয়ের অভিজ্ঞতা টুখেলের “এগিয়ে থাকার পর কৌশল বদলানোর” ধরন নিয়ে বাইরে প্রচুর বিতর্ক তৈরি করেছে।
